মডেল ফটোশুটের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাক*মেইলিং ও  যৌ*ন নি*র্যাতনের অভিযোগে আটক ৫ জন।
জাতীয়

মডেল ফটোশুটের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাক*মেইলিং ও যৌ*ন নি*র্যাতনের অভিযোগে আটক ৫ জন।

কলকাতা, ৮ই অগাস্ট ২০২৬, নিজস্ব প্রতিনিধি : কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের করল হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। একটি নাবালিকা মেয়েকে মডেল স্যুটের নামে ব্ল্যাকমেইল এবং তোলাবাজির ঘটনার তদন্তে নেমে এক বিরাট অপরাধ চক্রের হদিশ পায় পুলিশ। ঘটনায় এখনো পর্যন্ত এক মহিলা সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

ফেসবুকে কমবয়সী মহিলাদের মডেলিং ফটোশুটের টোপ দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেত বারুইপুরের যুবক অতনু আগুয়ান ওরফে জিতু চক্রবর্তী। হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ডিসি ডিডি জানিয়েছেন অতনু তার গার্লফ্রেন্ড সোনালী কয়ালকে দিয়ে ফেসবুকের মাধ্যমে কম বয়সী মেয়েদের মডেলিংয়ের ফটোশুটের টোপ দিত। এরপর অতনু এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মেয়েটিকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে নগ্ন অবস্থায় ছবি তুলত। পরে ওই ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েদের নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল করত। তাদের থেকে দফায় দফায় মোটা টাকা এবং সোনা ও রুপোর গয়না তোলাবাজি করত বলে তদন্তে উঠে আসে। পুলিশ জানিয়েছে এভাবে ওই চক্র লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা তোলে। কিছুদিন আগে হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার সেলে এক নাবালিকা অভিযোগ দায়ের করেন। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ এই বড় চক্রের সন্ধান পায়। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অপরাধ চক্রের মূল মাথা অতনু আগুয়ান, তার বান্ধবী সোনালী কয়াল, তাদের সঙ্গে জড়িত রাকেশ মন্ডল, রাজিব মন্ডল এবং রাজেশ পাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে অতনুর সাঙ্গোপাঙ্গরা ফটোশুটের জন্য নাবালিকাদের হোটেলে নিয়ে যেত এবং তাদের নগ্ন ছবি তুলত। শুধু তাই নয় তাদের বেশ কয়েকজনকে ব্ল্যাকমেইলের পাশাপাশি ধর্ষণ করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পক্সো, ধর্ষণ তোলাবাজি এবং ব্ল্যাকমেইলের বিভিন্ন ধারায় মামলা শুরু করেছে পুলিশ। এখনো পর্যন্ত এই চক্রের শিকার ৯ জন নাবালিকা। এই চক্রের সঙ্গে আরো কেউ জড়িয়ে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।