কুলাঙ্গার দেবরের কুনজর পরলো পাশের বাড়ির বৌদির দিকে।
রাজ্য

কুলাঙ্গার দেবরের কুনজর পরলো পাশের বাড়ির বৌদির দিকে।

মধুপুর, 21/01/2025, নিজস্ব প্রতিনিধি : অবিবাহিত কুলাঙ্গার দেবরের কুনজর পরলো পাশের বাড়ির বৌদির দিকে। শুধু তাই নয় সেই বৌদি অসভ্য দেবরের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে তাকে খুনের হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ। এমনকি সেই দেবরের বাবা মায়ের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে সকলেই সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে সেই দুই সন্তানের জননীর উপর আক্রমণ চালায়। শুধু তাই নয় ঘরের বিদ্যুৎ ছিন্ন করে দেয়। স্বামীর অনুপস্থিতে পরে গৃহবধূ বাধ্য হয়ে বক্সনগর বাবার বাড়িতে চলে যায়। ঘটনা মধুপুর থানাধীন অরবিন্দনগর তালতলা এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মধুপুর থানাধীন অরবিন্দনগর তালতলা এলাকার এক গৃহবধূর তার স্বামী বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে রয়েছে, আর এই সুযোগে বাড়ির পাশের এক কুলাঙ্গার রাসেল হোসেন সেই বৌদির দিকে কুনজর পড়ে। বারবার সেই বৌদিকে যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সেই গৃহবধুর কাছে প্রস্তাব পাঠায় তার সাথে সহবাস করার জন্য। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে গত শনিবার তার ওপর জাপটে পড়ে । কোনরকমে সেই গৃহবধূ কুলাঙ্গার রাসেলের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে রাসেলের মা এবং বাবার কাছে সেই ঘটনা খুলে বলে। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তার মা এবং বাবা। রাসেল মিয়া, তার বাবা সাইদুর রহমান, মা হেলনা বেগম, কাকা শ্বশুর ফুলমিয়া এবং তার স্ত্রী রোকিয়া বেগম সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে সেই গৃহবধুর ওপর আক্রমণ চালায় বলে রয়েছে অভিযোগ। গৃহবধূ অভিযোগ করেন রাসেলের মা এবং বাবা তার ছেলেকে তার পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে, তাকে বদনাম করার উদ্দেশ্য নিয়ে। আর সেই ষড়যন্ত্র যদি সাফল্য হয় তাহলে সেই গৃহবধুকে সেই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে জায়গা দখল করে নেবে। এদিকে গৃহবধূ লোক লজ্জার ভয়ে পরে রবিবার সকাল বেলা তার বাবার বাড়িতে চলে গেলে এই সুযোগে তার ঘরের সমস্ত কিছু তছ নছ করে নিয়ে যায়। গৃহবধূ অভিযোগ করেন বাড়িতে না থাকার ফলে জানালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, দুটি স্বর্ণের চূড়, মূল্যবান কাগজপত্র এবং পাসপোর্ট নিয়ে পালিয়ে যায়। শুধু তাই নয় ঘরের মধ্যে একটি বৃহৎ আকারের দা ও ফেলে যায়। পরে খবর পেয়ে বাবার বাড়ি থেকে এসে দেখতে পায় সেই ঘটনা। পরে মধুপুর থানায় জিডি এন্ট্রি করলে পুলিশ গিয়ে সামান্য তদন্ত না করেই চলে আসে। পরে বাধ্য হয়ে বুধবার বিকেল বেলা অভিযুক্ত রাসেল হোসেন, তার বাবা সায়েদুর রহমান, মা খেলনা বেগম, কাকা শ্বশুর ফুলমিয়া এবং তার স্ত্রী রোকিয়া বেগমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে আসলে মধুপুর থানার পুলিশ সে মামলা নিতে নারাজ। তাদের বক্তব্য জিডি এন্টি করার পরই নাকি মামলা হয়ে গেছে, লিখিত কোন অভিযোগ নিতে পারবে না। অন্যদিকে সেই গৃহবধূ বক্সনগর তার বাবার বাড়িতে গিয়ে ওই এলাকার বিধায়ক তফাজ্জল হোসেনের দ্বারস্থ হয় এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবী রাখছে। যদিও বিধায়ক তফাজ্জল হোসেন আশ্বস্ত করেছে তার পাশে থাকবে এবং থানা থেকে মামলা করার লিখিত অভিযোগ পত্রের রিসিভ নিয়ে যেতে। কিন্তু পুলিশ মামলা নিতে রাজি নয়। আর যদিও মামলার কাগজপত্র রাখতে পারবে, কিন্তু স্বাক্ষর বা সিল দিতে পারবে না। তবুও সুষ্ঠ বিচারের আশায় রয়েছে আতঙ্কিত গৃহ বধূ।